Ticker

5/recent/ticker-posts

Malaria-ম্যালেরিয়া

ম্যালেরিয়া

Malaria-ম্যালেরিয়া

ম্যালেরিয়া (ইংরেজি: Malaria) হল মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীদের একটি মশা-বাহিত সংক্রামক রোগ যার মূলে রয়েছে প্লাজমোডিয়াম গোত্রের প্রোটিস্টা (এক ধরনের অণুজীব)। ম‍্যলেরিয়া শব্দটি সর্বপ্রথম ব‍্যবহার করেন টর্টি (Torti) ১৭৫১ সালে। ইতালিয় শব্দ Mal (অর্থ- দূষিত) ও aria (অর্থ- বায়ু) হতে Malaria (ম‍্যালেরিয়া) শব্দটি এসেছে।

ম্যালেরিয়া হলে করণীয়
ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে অবশ্যই খাটে মশারি ব্যবহার, জানালা ও দরজায় নেট ও মশা তাড়ানোর জন্য কয়েল, ভেপরম্যাট ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে ঘরের দেয়ালে কীটনাশক জাতীয় ওষুধ ছিটাতে হবে। বাড়ির আশপাশে কোনো ঝোপ-জঙ্গল থাকলে তা পরিষ্কার রাখতে হবে। জমা পানি বের করে দিতে হবে।

ম্যালেরিয়া রোগের কারণ কী
ম্যালেরিয়ার কারণ হল একটি 'এক-কোষ' বিশিষ্ট 'প্লাসমোডিয়াম প্যারাসাইট'। এমন পাঁচ প্রকারের প্যারাসাইট রয়েছে যার কারণে ম্যালেরিয়া হয়ে থাকে। সংক্রমিত স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড় দ্বারা এই রোগ পরিবাহিত হয় ও ছড়িয়ে পড়ে।

ম্যালেরিয়া পরীক্ষা
১) আঙ্গুল থেকে এক ফোঁটা রক্তের মাধ্যমেই পরীক্ষা করা যাবে ম্যালেরিয়া। ২) যন্ত্রের উপর এক ফোঁটা রক্ত দেওয়ার ১০ থেকে ১২ সেকেন্ডের মধ্যেই যন্ত্র জানিয়ে দেবে ম্যালেরিয়া হয়েছে কিনা।

ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের উপায়
মশার কামড় থেকে দূরে থাকাই এ রোগ প্রতিরোধের উপায়। এজন্য কিছু করণীয় রয়েছে। যেমন- দিনে বা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি বা কয়েল ব্যবহার করা। দরজা-জানালায় মশক নিরোধক জাল, প্রতিরোধক ক্রিম, স্প্রে ব্যবহার করা।

ম্যালেরিয়া রোগের লক্ষণসমূহ
নির্দিষ্ট সময় পরপর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা এ রোগের প্রধান লক্ষণ। জ্বর সাধারণত ১০৫-১০৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। নিয়মিত ও নির্দিষ্ট বিরতিতে জ্বর আসা-যাওয়া করে; যেমন- একদিন পর পর জ্বর, তা ৩-৪ ঘন্টা দীর্ঘ হওয়া এবং এরপর ঘাম দিয়ে জ্বর কমে যায়।

ম্যালেরিয়া কত প্রকার
ম্যালেরিয়া খুবই পরিচিত একটি সংক্রামক রোগ এবং এটি একটি বৃহৎ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। রোগটি প্লাজমোডিয়াম বর্গের এককোষীয় পরজীবীর দ্বারা ঘটিত হয়। কেবল চার ধরনের প্লাজমোডিয়াম পরজীবী মানুষের মধ্যে সংক্রমন ঘটায়,এদের মধ্যে সবথেকে বেশি প্রভাবিত করে প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম এবং প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স।

ম্যালেরিয়া রোগের ওষুধের নাম কি
ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এমন ওষুধ, যেমন হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন এবং ক্লোরোকুইন, এগুলোকে বেশ কিছু দিন ধরেই করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য প্রতিষেধক বলে মনে করা হচ্ছে।

ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী জীবাণুর নাম কি
ম্যালেরিয়া খুবই পরিচিত একটি সংক্রামক রোগ এবং এটি একটি বৃহৎ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। রোগটি প্লাজমোডিয়াম বর্গের এককোষীয় পরজীবীর দ্বারা ঘটিত হয়। কেবল চার ধরনের প্লাজমোডিয়াম পরজীবী মানুষের মধ্যে সংক্রমন ঘটায়,এদের মধ্যে সবথেকে বেশি প্রভাবিত করে প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম এবং প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স।


Read More...
Headache
Types of Headaches
Migraine
Headache after Eating
পিছনে মাথা ব্যথা (Back Head Pain)
নাক বন্ধ চিকিত্সা
Electrolyte-ইলেক্ট্রোলাইট
Blood Plasma-রক্তের প্লাজমা/রক্তরস
Leprosy-কুষ্ঠ রোগ
Viral Infection: প্রকার, চিকিত্সা এবং প্রতিরোধ
Teenage Breast-কিশোর স্তন
 মস্তিষ্ক টিউমারের লক্ষণকারণ, চিকিৎসা
What is a kidney tumor? Symptoms and Treatment.
Vegetarian Protein Meals
Malaria-ম্যালেরিয়া
হাঁপানিলক্ষণপ্রকার  চিকিৎসা

Post a Comment

0 Comments